রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
প্রাথমিক নিবন্ধনে জমা দিতে হবে ৪ লাখ, সময় অল্প!
অনলাইন ডেস্ক
আসন্ন ২০২৬ সালের হজে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের জন্য আসছে গুরুত্বপূর্ণ সময়। ২৭ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, যেখানে আগ্রহীদের চার লাখ টাকা জমা দিয়ে প্রথম ধাপে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সচিবালয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ২০২৬ সালের হজ রোডম্যাপ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
সভায় জানানো হয়, সৌদি আরবের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, চলতি বছরের ১২ অক্টোবরের মধ্যে হজযাত্রীদের চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক নিবন্ধনের পর নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে হজ প্যাকেজের অবশিষ্ট টাকা পরিশোধ করেই মিলবে চূড়ান্ত অনুমোদন।
হজের প্যাকেজ মূল্য, সৌদি আরবে অবস্থানকালীন খরচ ও বিমানভাড়া নির্ধারিত হওয়ার পর ধর্ম মন্ত্রণালয় দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিস্তারিত প্যাকেজ ঘোষণা করবে।
সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে ইচ্ছুকরা ই-হজ সিস্টেম, লাব্বাইক অ্যাপ, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়, বায়তুল মোকাররম ও আশকোনা হজ অফিস থেকে নিবন্ধন করতে পারবেন। অন্যদিকে, বেসরকারি ব্যবস্থায় হজ পালনের জন্য অনুমোদিত হজ এজেন্সির মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে সব কার্যক্রম।
সভায় আরও জানানো হয়, সৌদি সরকারের পাঠানো রোডম্যাপ অনুযায়ী এবার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা মানা বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে রয়েছে— হজ ফ্লাইট সিডিউল চূড়ান্ত না হলে কোনো বাড়িভাড়া না করা, কোরবানির টাকা “নুসুক মাসার” ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রদান, এবং মেডিকেল ফিটনেস ব্যতীত কাউকে হজে পাঠানো যাবে না।
হজ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা ও সফলতা নিশ্চিত করতে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) থেকে বেশ কিছু প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রস্তাব ছিল— বাড়িভাড়া চুক্তির আগে ফ্লাইট সিডিউল চূড়ান্তকরণ, কোরবানি ও ক্যাটারিং বাধ্যতামূলক না রাখা, নিবন্ধনের সময় বাড়ানো এবং হজ প্যাকেজের সময়সীমা ৩৫ থেকে ৪০ দিনে সীমিত রাখা।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ধর্ম সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামানিক, অতিরিক্ত সচিব মু. আঃ আউয়াল হাওলাদার, হজ অনুবিভাগের যুগ্মসচিব ড. মো. মঞ্জুরুল হক, হাব সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার, মহাসচিব ফরিদ আহমদ মজুমদার এবং মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা।